আমাদের প্রয়োজনীয়
অনেক জিনিসের মধ্যে রয়েছে আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সিকিউরিটি। আপনি চিন্তা
করেন কেউ যদি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে গুরুত্বপুর্ন তথ্য চুরি করে নিয়ে যায়
তা কতোটা বিপদ হতে পারে।
আপনি হয়তো বলবেন আমার বিপদ হওয়ার তেমন কিছু নাই বা
আমি কোন সেলিব্রাটি না। তাহলে আমি বলবো আপনি কি সারা জীবন এমনই থাকবেন। আপনার পরবর্তী জীবনে টাকা, পয়সা সহ সেলিব্রাটি ও
হয়ে যেতে পারেন। তখন আপনার এই সময়ের ইনফরমেশন নিয়ে তারা পরে কাজে লাগাবে।
আজ আমরা ফেইসবুকের কিছু নিয়ম সম্পর্কে
জানবো ।
১) 2 step verification . এটা অন করে রাখলে এতোটা সিকিউরিটি দিবে যে আপনি বাজি ধরে কাউকে আপনার আইডি হ্যাক করতে বলতে পারেন। এর সাহায্যে জানতে পারবেন আপনার একাউন্ট কোথা থেকে একটিভ করা হচ্ছে বা কোথা থেকে কয়টা বাজে অন করা হচ্ছে।
আর যদি কেউ আপনার আইডি হ্যাক
করতে আসে আপনি যদি একাউন্ট যেখান থেকে অন করছে তা না জানেন বা আপনি অন করে না থাকেন।
তাহলে আপনি চাইলে অন করার পারমিশন অফ করে দিতে পারেন এতে করে সে চাইলেও আপনার পারমিশন
ছাড়া হ্যাক করতে পারবে না ।
২) Date
of Birth . আপনার মনে হতে পারে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কেরেছেন দেখে কেউ আপনার একাউন্ট
হ্যাক করতে পারবে না তবে বলে রাখি হ্যাকার যদি এই দেশের হয় তাহলে তার জন্য এটা কষ্টকর
হলেও বাহিরের বড় বড় হ্যাকার যারা সুপার কম্পিউটার দিয়ে হ্যাক করে তাদের হাত থেকে বাচা
সম্ভব না। তাই আপনার ডেট অব ব্রাথ ডিজিবল করে
রাখবেন। কারণ হ্যাকাররা হ্যাক করতে ফেইসবুককে বুঝায় এটা তার একাউন্ড । তাই তারা আপনার
বড় মাধ্যম ডেট অব ব্রাথ ব্যবহার করবে।
৩) Login
Alart. এটাও আপনার ১ নাম্বার রুলসের মতো তবে
এক্ষেত্রে আর কোডের মাধ্যমে আপনার কাছে থেকে লগ ইন করতে পামিশন চাইবে না। তবে আপনি
এবার ডিটেইলসে দেখতে পাবেন কোথা থেকে কয়টা বাজে লগ ইন হয়েছে। এর জন্য যে মেসেজটা আসবে
তার জন্য আপনার ডাটা কানেকসন চালু থাকতে হবে। আর এটি অন করতে আপনি যাবেন আপনার ফেইসবুক
অ্যাপের সেটিংস অপশনে আর তার পর যাবেন লগ ইন এন্ড সিকিউরিটিতে । আর তার পর লগ ইন আপশন
টা অন করে দিবেন।
৪)
Tranlate Contacts . এর মাধ্যমে আপনি আপনার
একাউন্ট হ্যাক হওয়া পর ফিরিয়ে আনতে পারবেন। আর তা করতে যাবেন আগের মতো লগ ইন এন্ড
সিকিউরিটি অপশনে । আর সেখান থেকে আপনি আপনার প্রিয় বা চেনা জানা ৫ জন ফ্যান্ডেকে এড
করবেন। যাতে করে পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে আপনি তাদের সাহায্যে ফিরিয়ে আনতে পারেন। তবে মনে রাখবেন তারা যেন আপনার এমন
চেনা জানা হয় যাদের একাউন্ডের সাহায্যে পরে আপনি আপনার একাউন্ড ফিরিয়ে আনতে পারেন।
৫) App
Password Set Up. আপনি চাইলেই আপনার ফেইসবুকের অ্যাপেন পার্সওয়াড সেট করে রাখতে পারি।
এতে করে কোন কারনে আন এক্টিভ হলে বা কেউ হ্যাক করতে চাইলে আপনি পাসওয়াড ছাড়াউ আপনার
মোবাইলের অ্যাপ থেকে একাউন্টটে লগ ইন করতে পারেন। আর তা আপনি আপনার সেটিংস থেকে করতে
পারবেন।
৬)
Number or Email Address disable . আপনি যে নাম্বার বা ইমেইল দিয়ে একাউন্ট খুলেছেন
তা শো করে রাখবেন না । কারণ আপনার একাউন্টে লগ ইন করতে গেলে ঐ নাম্বার বা ইমেইল অ্যাডেস
থেকে একটি OTP লাগবে তবে আপনার মনে হতে পারে যে ওটিপি কেউ কিভাবে জানবে যদি নাম্বার
বা ইমেইল অ্যাডেস আমার কাছে থাকে। আমি বলবো আপনার ধারণা তাহলে খুবই কম কারণ যে কেউ
চাইলেই ওটিপি ট্রান্সপার করতে পারে।
৭) App
Permission. আপনি হয়তো কোন না কোন সময় বিভিন্ন
অ্যাপ ফেইসবুক আইডি দিয়ে লগ ইন করেছেন। যেমনঃ-
ফ্রি ফায়ার বা পাবজির মতো কোন কিছু । তবে এগুলোতে কানেক্ট করলেও কোন সমস্যা নেই কারন
তারা উচ্চ মানে সিকিউরিটি দিয়ে থাকে । কিন্তু সাধারণ কিছু বা আজে বাজে কিছু অ্যাপ আছে
যারা এমন কাজ করে থাকে তাদেরকে না দেওয়াই ভাল। আপনি শুনে থাকবেন বিভিন্ন কোম্পানি মাঝে
মধ্যে জরিবানার শিকার হয় । এর মুল কারণ তাদের এই অনৈতিক কাজ। এমনকি ফেইসবুক সিকিউরিটি
কম হওয়ার কারনেও জরিমানার শিকার হতে হয়েছে।
৮) Fishing Theme. এর সম্পর্কে একমাত্র ভাল ফেইসবুক ইউজারই বলতে পারে। এর মাধ্যমে আপনি যখন ফেইসবুকে যান তখন আপনার কাছ থেকে সেই তথ্য নেওয়া জন্য ফেইসবুকের লগ ইন পেজের মতো একই রকম থিম তৈরি করে আর লগ ইন করতে বলে। এই ক্ষেত্রে দূরভাগ্যবশত কোন সিকিউরিটি নেই। তবে যদি আপনার লগ ইন করার সময় মনে হয় লগ ইন পেজটা এটা পুরো পুরি আসলের মতো মনে হচ্ছে না।
তাহলে আপনি
লগ ইন না করে আগে কম্পিউটার বা কম পক্ষে মোবাইল ব্রাউজার দিয়ে লগ ইন এর পেজ ডোমেইনটা
দেখুন। কারণ যারা এই ভাবে হ্যাক করে তারা প্রফেশনাল হ্যাকার আর তাদের হাত থেকে বাচা
অনেক কঠিন। যদি দেখে www.facebook.com
সঠিক ভাবে লেখা নেই বা এই লেখার পরে অজানা বা অচেনা কিছু লেখা আছে তাহলে আগে
মোবাইল রিস্টাট বা রিফ্রেস দিবেন আর তাও কাজ না হলে ফেইসবুক অ্যাপটি আন ইনস্টল করে
ভাল কোন জায়গা বা প্লেস্টোর থেকে আবার ইনস্টল দিবেন।