মোবাইল খুব স্লো ? রইল গতি দ্রুত করার ১০টি উপায়-Part=2

 

দ্বিতীয় তে আমরা এমন পাঁচটি সফটওয়্যার নিয়ে কথা বলব যা আপনার নির্দেশনা ছাড়াই নির্দিষ্ট সময় পরপর  অটোমেটিক্যালি তার কার্য সম্পাদন করবে। চলুন জেনে আসা যাক সেই পাঁচটি  সফটওয়্যার সম্পর্কে।

 


 

1.Startup Manager.

 

 যাদের এর সম্পর্কে কোন ধারণা নেই তাদের জন্য প্রথমেই বলে রাখি এটি শুধুমাত্র যখন আপনি মোবাইলটি অফ করবেন বা রিস্টাট দিবেন তখন এটি কাজ করবে। আপনার মোবাইল যদি হ্যাং হয়ে যায় ভালো কাজ না করে। এছাড়া মোবাইলের ব্যাটারির যদি খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে আপনি শুধু একবার মোবাইলটি রিস্টার্ট দিলে বা অফ করলেই অটোমেটিকলি এই অ্যাপসটি আপনার সিলেক্টেড অ্যাপস গুলো বাদে অন্য সকল অ্যাপসের কেচ ক্লিন করে দেবে এবং ফোর্স স্টপ করে দিবে।

 

 এতে করে ওই অ্যাপসগুলো যতক্ষণ না আপনি নিজে চালু করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত অ্যাপস গুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড অফ থাকবে্ অর্থাৎ ব্যাকগ্রাউন্ডে এটা চলবে না। যারা মোবাইল ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই জানেন আপনাদের অনেক অ্যাপস আছে যা আপনার ব্যবহার না করলেও সেটা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। এগুলো  ব্যাটারির অপচয় করে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলার মাধ্যমে এবং ইন্টার্নাল স্টোরেজও কম করে থাকে।

 

 

2.Juice defender.

 

 এই অ্যাপসটি শুধুমাত্র একটি স্পেসিফিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। ব্যাকগ্রাউন্ডে আমাদের অনেক অ্যাপস  সবসময় চলতে থাকে বিধায় অ্যাপসটি শুধু যে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপসগুলোকে অফ করে নাই নয় বরং দ্বিতীয় বার অটোমেটিক্যালি ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। অর্থাৎ ব্যাকগ্রাউন্ডে ওই অ্যাপস গুলো যাতে আবার নিজে থেকেই চলতে শুরু না করে সেজন্য এই অ্যাপস এর ব্যবহার করা হয়।

 

উপর থেকে যে অ্যাপস গুলো ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপস বন্ধ করে সেগুলো যদি ওই অ্যাপসগুলো দ্বিতীয় বার ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে শুরু করে তখন তা আর বন্ধ করতে পারো না। সেই ক্ষেত্রে এটি বিশেষ উপযোগী। যেহেতু এটি একটি কাজ করে তাই এটা কে এমন ভাবে বানানো হয়েছে যাতে ব্যবহারকারীর কোন সমস্যা না হয়।

 

 

3.Spare parts.

 

 যারা মোবাইলের অ্যানিমেশন সম্পর্কে জানেন না তাদেরকে বলে রাখি আমাদের মোবাইলের ডিজাইন বিভিন্ন রকম অ্যানিমেশন দ্বারা নির্ধারিত এবং কালার থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের আলতু, ফালতু সৌন্দর্য তৈরি করে থাকে। এই অ্যানিমেশনের কারনে আপনার দেওয়া নির্দেশনাগুলো প্রসেস করতে দেরি হয় এবং মোবাইল ধীর গতির করতে আর ব্যাটারি অপচয় করতে থাকে্।

 

যদি আপনি এই অ্যাপটি ইন্সটল করেন তাহলে আপনার প্রয়োজন অনুসারে অটোমেটিক্যালি কী পরিমাণে এনিমেশনের দরকার পড়বে আপনার ডিভাইসের। তা নিজে থেকেই ঠিক করে দেবে। আর অটোমেটিক আপনার মোবাইলে সেটআপ হয়ে যাবে। অ্যানিমেশন গুলো আপনি চাইলেও আপনার পছন্দ মত সেট আপ করে করে দিতে পারে এবং চাইলে বন্ধও করে দিতে পারেন।

 

 


4.Apps to SD card.

 

 এর নামটির কারণে আমাদের ভিজিটরদের  বেশি করে কিছু বলার দরকার পড়ে না।  আপনার ব্যবহৃত অ্যাপস গুলো সাধারণত ইন্টারনাল স্টোরেজ ইন্সটল হয়ে থাকে। কিন্তু আপনি চাইলে সে গুলোকে এইচডি কার্ডে ট্রানস্ফার করে ইন্টারনাল স্টোরেজের ব্যবহার কমিয়ে আনতে পারেন। আপনি হয়তো জানেন না ইন্টারনাল স্টোরেজ যত কম লোড থাকবে। ততবেশি আপনার মোবাইল স্মুথভাবে কাজ করবে এবং ব্যাটারি সাশ্রয় করে থাকবে।

 

যারা ব্যাটারি সমস্যা নিয়ে ভাবেন তাদের বলছি আপনাদের মত মোবাইল কষ্ট করে ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুবই কম। যদি মোবাইলের ব্যাটারি ঠিক মত কাজ না করে তাহলে কোন কিছুই ব্যবহার করে শান্তি পাওয়া যায় না। আমার কিছু পোস্ট আছে যেগুলো পড়ে  আপনি আপনার নষ্ট ব্যাটারি ভালো করার পাশাপাশি ব্যাটারি রিকোভার কিভঅবে  কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কে 100% কার্যকরী কিছু টিপস পাবেন। সেগুলো দয়া করে একবার দেখে নিবেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করবেন।

 

 

5.Auto task killer.

 

 কিছু অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে সফটওয়্যার স্টার্ট অবরোধ করে এবং সফটওয়্যার এর বেস্ট পারফরমেন্স আপনি যাতে পান সেদিকে লক্ষ্য রাখে। যেহেতু এটা নিজের কাছে পারফেক্ট তাই এর নাম আমি উল্লেখ করলাম। আপনি চাইলে অন্যান্য্ অ্যাপের মতো এটিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে এগুলো একাধিক ব্যবহার করা প্রয়োজন পড়ে না। তবে প্রত্যেকবার বিভিন্ন কারণে কিছু বেকাপ অ্যাপস আমরা দিয়ে থাকে। যাতে করে কোন অ্যাপে সমস্যা থাকলে বা আপনার ব্যবহার করতে সমস্যা হলে বেকাপ অ্যাপস গুলো ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো  প্রায় একই রকম কাজ করে।

 

إرسال تعليق (0)
أحدث أقدم